এমএ হাসেমের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য এমএ হাসেমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সোমবার বাদ আসর রাজধানীর গুলশান সোসাইটি মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কমচারী ও পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

দোয়া মাহফিলে অংশ নেয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) তাজুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সংসদ সদস্য নাসিমুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।

এমএ হাসেমের ছেলে শওকত আজিজ রাসেল দোয়া মাহফিলে অংশ নেয়া প্রত্যেকের প্রতি পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি যুগান্তরকে বলেন, বাবা ছিলেন আমাদের বটবৃক্ষ, বাবার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। বাবা দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে সারা জীবন কাজ করে গেছেন। বাবার আদর্শেই আমরা দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি, করে যাব।

দেশের প্রথম সারির এ শিল্প উদ্যোক্তা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ ডিসেম্বর রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। শুক্রবার বনানী কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এমএ হাসেম স্ত্রী সুলতানা হাসেম, পাঁচ ছেলে- আজিজ আল কায়সার টিটো, আজিজ আল মাহমুদ, আজিজ আল মাসুদ, রুবেল আজিজ ও শওকত আজিজ রাসেলসহ

আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

এমএ হাসেম ১৯৬২ সালে তামাকের ব্যবসা দিয়ে ব্যবসা জগতে পা রাখেন। বর্তমানে পারটেক্স গ্রুপ আসবাবপত্র, বোর্ড, খাদ্য ও পানীয়, প্লাস্টিক, কাগজ, তুলা, সুতা, পাট, রিয়েল এস্টেট, টেক্সটাইল, শিপিং, এগ্রো, গার্মেন্টস, এরোমারাইন লজিস্টিকস ব্যবসায় জড়িত। এমএ হাসেম বাংলাদেশের বেসরকারি ব্যাংক ও বীমা সংস্থাগুলোর পথিকৃৎ। ২০০১ সালে নোয়াখালী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

বন্দরে শোক সভা : বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, এমএ হাসেম স্মরণে সোমবার কুড়িপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, নাসিক ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামরুজ্জামান বাবুল প্রমুখ। তারা বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে এমএ হাসেম প্রতি মাসে এই বিদ্যালয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ অনুদান দিয়ে গেছেন, যা শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। তিনি আরও অনেক ভালো ভালো কাজ করে গেছেন। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন