হ্যালো...

আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই

অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাতা এবং নাট্যকার হিসেবেও সমাদৃত তৌকীর আহমেদ। বর্তমানে নির্মাণেই ব্যস্ত আছেন। চলতি মাসেই তিনি নতুন একটি ছবি পরিচালনার কাজ শুরু করবেন। একটি ধারাবাহিক নাটক নির্মাণের কাজও হাতে আছে। অভিনয়েও কিছুটা ব্যস্ততা আছে তার। এসব বিষয় নিয়েই আজকের ‘হ্যালো...’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি
 সোহেল আহসান 
০৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ছবি সংগৃহীত

* চলতি মাসেই নতুন ছবির শুটিং শুরু করার কথা শোনা যাচ্ছে। প্রস্তুতি কতটুকু?

** প্রযোজকের সঙ্গে কিছুদিন আগে নতুন ছবির বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। গল্প নির্বাচন করেছি আরও আগেই। কয়েকজন অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হয়েছে। আরও কিছু অভিনয়শিল্পী নির্বাচনের কাজ চলছে। সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছি।

* গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, মম ও পরিমনিকে নিয়ে কাজ করছেন...

** এখনই শিল্পী নির্বাচন নিয়ে কিছু বলতে চাইছি না। সময় হলে আমি নিজেই বলব সব।

* নতুন ছবির গল্প কী নিয়ে?

** নাম এখনও ঠিক করিনি। শিগগিরই চূড়ান্ত করব। গল্প নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাই না। অনেক সময় গল্পের ধরন প্রকাশ হওয়ার পর সেটি অনুকরণ করে কেউ কেউ গল্প দাঁড় করিয়ে ফেলে। সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই গল্প সম্পর্কে কোনো ধারণাও প্রকাশ করছি না। তবে যাই করি না কেন, ছবিটি দর্শকের ভালো লাগবে- এটুকু বলতে পারি।

* আপনার পরিচালিত ‘রুপালি জোছনায়’ নামের একটি ধারাবাহিক নাটক প্রচার হচ্ছে। পর্ব সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে শুনেছি। এটির কাজ কী শেষ?

** এখনও শুটিং শেষ হয়নি। দর্শকের আগ্রহের কারণেই চ্যানেল কর্তৃপক্ষ নাটকটির পর্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। তাই গল্পও সেভাবেই বিন্যাস করে শুটিং করছি। কোনো নাটক যখন দর্শকপ্রিয়তা পায়, তখন এর জন্য যে কষ্ট হয় তা নিমিষেই দূর হয়ে যায়। এ নাটকটি গতানুগতিকতার বাইরে গিয়ে নির্মাণ করার চেষ্টা করেছি। তাই হয়তো অনেক ধারাবাহিকের মধ্যেও নাটকটি দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।

* আমেরিকায় সপরিবারে স্থায়ী হওয়া নিয়ে নানা ধরনের খবর মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

** মূলত আমার ছেলেমেয়ে আমেরিকায় স্কুলে ভর্তি হয়েছে। ওরা যেহেতু অনেক ছোট তাই তাদের দেখাশোনার জন্য আমার স্ত্রী বিপাশা হায়াত আমেরিকাতেই অবস্থান করবে। আমি কাজের ফাঁকে ফাঁকে ওদের সঙ্গে দেখা করতে ও সময় কাটাতে যাব। এই হল মূল বক্তব্য। আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমার কোনো পরিকল্পনা নেই এখনও।

* এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আপনার পরিচালিত ‘ফাগুন হাওয়ায়’ পুরস্কৃত হয়েছে। এ নিয়ে আপনার প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে কি?

** নির্মাতা হিসেবে কিছুটা ভালো লাগছে। যে কোনো স্বীকৃতিই আনন্দের। আর তা যদি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি হয়, তাহলে তো আনন্দের মাত্রাও বেশি হয়। ভাষা আন্দোলনের বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মিত আমার ছবিটি এর আগে বিভিন্ন দেশ থেকে পুরস্কৃত হয়েছে। কিন্তু নিজ দেশের পুরস্কার সবার আগে গুরুত্ব পায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন