ইয়াবার ফাঁদে ফেলে চাঁদাবাজি, ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্তে ডিবি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইয়াবার ফাঁদে ফেলে চাঁদাবাজি, ওসিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্তে ডিবি
ফাইল ছবি

রাজধানীর কোতয়ালী থানার ওসি মিজানুর রহমানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজির মামলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান এ আদেশ দেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- কোতোয়ালী থানার এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও সোর্স দেলোয়ার হোসেন।

গত ১৭ নভেম্বর ব্যবসায়ী মো. রহিম আদালতে এ মামলাটি করেন। ওইদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটির তদন্তের বিষয়টি অপেক্ষমান রাখেন। ৩ ডিসেম্বর আদেশ দেয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরবর্তীতে এদিন আদালত ওই আদেশ দেন। 

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জাকির হোসেন হাওলাদার যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় চরকালীগঞ্জ জেলা পরিষদ মার্কেট থেকে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন রহিম। রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া ব্রিজের ওপর অজ্ঞাতনামা তিনজন তার গতিরোধ করেন। তারা নিজেদের ঢাকা জেলার ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। রহিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে বলে জানান তারা। রহিমকে তারা একটি দোকানে নিয়ে তল্লাশি করেন। তল্লাশি করে কিছু না পাওয়ায় তাকে দোকান থেকে বের করে বাবু বাজার ব্রিজের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম ও সোর্স দেলোয়ার উপস্থিত ছিলেন। 

এই তিনজন নিজেদের কাছ থেকে ৬৫০ পিস ইয়াবা বের করে বলেন, এগুলো রহিমের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। এরপর আসামিরা রহিমের কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেলে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মামলায় ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দেন। নিজেকে বাঁচাতে রহিম নিজের কাছে থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ও নগদ ১৩ হাজার টাকা আনিসুলের কাছে তুলে দেন। 

এরপর রহিমকে রাতে থানায় নেয়া হয়। পরে রহিম পরিবারের লোকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও ৫০ হাজার টাকা দেন। এরপর ১০ পিস ইয়াবা দিয়ে রহিমকে আদালতে পাঠানো হয়। ১৭ দিন কারাগারে থেকে গত ৩০ অক্টোবর জামিন পান রহিম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন