প্রবাসীর সম্পত্তি নিয়ে এ কেমন আচরণ?
jugantor
প্রবাসীর সম্পত্তি নিয়ে এ কেমন আচরণ?

  রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে  

২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬:১৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রবাস জীবন। ছবি: যুগান্তর
প্রবাস জীবন। ছবি: যুগান্তর

সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রবাসীদের সঞ্চিত সম্পদের ওপর শতভাগ দায়িত্ব পালন করবে এবং কোনো রকম সমস্যা হলে সক্রিয়ভাবে তার সমাধানে কোনোরকম গাফিলতি করবে না। জমির মালিক দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার ফলে মালিকের জমিটি নিচের বর্ণনা অনুযায়ী সরকারের নামে পরচা কাটা হয়েছে। 

প্রবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ডিসি মাগুরাকে চিঠি লিখে জানিয়েছে। ডিসিকে ফোন করেছে কয়েকবার এবং ডিসি বারবারই পুনরায় ফোন করতে বলেছেন। কারণ চিঠিখানা ডিসির পড়ার সময়টুকু এখন পর্যন্ত হয়নি। এটাই কি তাহলে শতভাগ দায়িত্ব পালন এবং প্রতিশ্রুতি? জনগণ জানতে চায়।
 
ওহ ভালো কথা, ডিসি সাহেব তিনবারই বলেছেন যে, তিনি চিঠিখানি এখনও পড়ার সময় পাননি তবে পরের দিন ফোন করলে তখন কথা হবে। শেষবার ফোন করলে একই উত্তর: চিঠি পড়া হয়নি। তবে সঠিক তথ্য না জেনেই ডিসি মাগুরা ভিকটিমকে দুটি শর্ত দিয়েছেন‌-

শর্ত ১ : ডিসির নামে কেস করতে হবে
শর্ত ২ : ডিসিকে কিছু অর্থ দিয়ে জমিটি কিনে নিতে হবে, এর ফলে জমি ভোগ করা যাবে। তবে কোনোদিন বিক্রি করতে পারবেন না।

ভিকটিম শুধু প্রশ্ন করেছেন, জমি আমার, দখলে গেল আপনার, এখন নতুন করে কিনবো, তারপরও বিক্রি করতে পারবো না, বিষয়টি কেমন হয়ে গেল না? এখন প্রশ্ন হতে পারে দেশে যেখানে প্রতিদিন হাজারও খুন, দুর্নীতি, রাহাজানি, হয়রানি, ধর্ষণ হচ্ছে অথচ বিচার পাবার সুযোগ নেই; সেখানে এটা কি কোনো ঘটনা হলো? 

আমি মনে করি এটাই বড় ঘটনা। কারণ আমরা যদি একজন ডিসির মতো দায়িত্বশীল প্রশাসক থেকে এমনটি আচরণ পাই তাহলে ভাবুন সাধারণ প্রশাসনের অবস্থা! ভাত রান্না করার পর সব ভাত টিপে দেখা লাগে না। দুই একটা দেখলেই বোঝা যায় ভাত সিদ্ধ হলো কিনা! জমির মালিকের লেখা পুরো চিঠিখানা তুলে ধরলাম নতুন করে ডিসিসহ দেশের প্রশাসনের কাছে।

বিষয় : মহম্মদপুর উপজেলার অন্তর্গত নহাটা গ্রামে অবস্থিত নহাটা বাজারের সম্পত্তি প্রসঙ্গে।

বরাবর,
জেলা প্রশাসক, মাগুরা 
মাগুরা, বাংলাদেশ।

জনাব,
আসসালামু আলাইকুম। আমি মৃধা শাহীন আজাদ (এমকম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমবিএ  লন্ডন, কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়)। পিতা মৃত আলহাজ আব্দুল মজিদ মৃধা, নহাটা, মহম্মদপুর, বাংলাদেশ। আমি সপরিবারে ২০০২ সাল থেকে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছি। আমার বাবা নহাটা বাজারে আমার নামে এক শতকের কম জায়গা কিনে চার তলা ফাউন্ডেশন করে দোতলা পর্যন্ত আংশিক সম্পন্ন করেন বিশ বছর আগে। ঘরটিতে একজন স্থায়ী হিন্দু ভদ্রলোক ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করছেন প্রথম থেকেই। আমার বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই বেশির ভাগ সময় দেশের বাইরে আছেন। ২০০৬ সালের শেষের দিকে উনারা মৃত্যু বরণ করেন। ফলে কবে, কখন দেশে জরিপের কাজ হয়েছে সেটা আমাদের নজরে আসে নাই। যার কারণে একই দাগের একাধিক মালিক হিসেবে অন্য অংশীদারদের নামে কাগজপত্র সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে শেষ পর্যায়ে। শুধু  আমার অংশটুকু বাংলাদেশ সরকারের অনুকূলে মাগুরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নামে পরচা কাটা হয়। বিশ বছর আগে সেখানে কোনো বিল্ডিংই ছিল না আমার অংশটা ছাড়া, সেখানে কিভাবে জায়গার মালিকের অভাবে জায়গা সরকারের খাতায় লিপিবদ্ধ হলো?

আল্লাহর আশীর্বাদ আমার বাবা সমগ্র মাগুরা জেলাতে বেশিরভাগ মানুষের কাছে একজন আদর্শবান পিতা ও দেশের সম্মানিত নাগরিক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। আশা করি আপনি একটু যাচাই করলেই আমার কথার সত্যতার প্রমাণ পাবেন। মাগুরায় ১৯৮৬ সাল থেকে কর্মরত সব জেলা প্রশাসকই আমাদের বাড়িতে এসেছেন নানাধরনের সামাজিক কারণে। শুধু নহাটা নয়; সমগ্র মাগুরার মানুষ জানেন ও চিনেন আমার বাবাকে আর সেখানে দুই তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংসহ প্লটের মালিক খুঁজে পেলো না বা কেউ বলতে পারলেন না জমির প্রকৃত মালিক কে? সেটা সত্যিই বিস্ময়কর। তখনকার সময়ে যারা জরিপ কাজে এসেছিলেন, আমার মনে হচ্ছে, উক্ত ব্যক্তিগণ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। করলে আমার জমির মালিক না পাওয়ার কোনো কারণই ছিল না। যেহেতু আমি বা আমার পরিবারের কেউই ওই সময়ে বিষয়টি না জানার কারণে উপস্থিত ছিলাম না, সে জন্যই কি এটা হয়েছে?

আমার সত্যিই ভাবতে অবাক লাগছে চারপাশের মানুষ তখন বলা সত্ত্বেও আমার বা আমার বাবার নামে (সরজমিনে যারা কাজ করেছেন তারা) না দেখিয়ে সরকারের নামে জমির পরচা কাটলেন! এমতাবস্থায় আপনিই পারেন বৈধ কাগজ দেখে মহম্মদপুর এসি ল্যান্ড অফিসে যারা নিয়োজিত আছেন তাদেরকে নির্দেশনা দিয়ে আমার কাজটির মীমাংসা করতে। এটা আমার বাবার করে যাওয়া সম্পত্তি হিসেবে এর সাথে তার স্মৃতি জড়িত। ফলে এর গুরুত্ব আমার কাছে অর্থনৈতিক বিবেচনার চেয়েও ঢের বেশি। আমি, আমার বড় ভাই প্রফেসর ড: মান্নান মৃধা (যিনি চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে সুইডেনে কেটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও সিনিয়র সাইন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন) সহ অন্যান্য প্রবাসী ভাইদের থেকে জানতে পারি গত দশবার বছর ধরে বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করে আসছেন। আশা করি আমিও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হবো না। আপনি চাইলে আমি লোক দিয়ে আপনার কাছে জমির দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পাঠাতে পারি। আশা করি আপনার সহযোগিতায় আমার এই সমস্যার সমাধান হবে। লন্ডনে আসলে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে অগ্রিম দাওয়াত রইল। দোয়া করি ভাল থাকবেন ও ভালো রাখবেন আপনার জেলার সকল মানুষকে। আপনাদের শুভ কামনাসহ অগ্রিম নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো।
 
মৃধা শাহীন আজাদ   
লন্ডন প্রবাসী 
00447809154435

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]

প্রবাসীর সম্পত্তি নিয়ে এ কেমন আচরণ?

 রহমান মৃধা, সুইডেন থেকে 
২৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রবাস জীবন। ছবি: যুগান্তর
প্রবাস জীবন। ছবি: যুগান্তর

সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রবাসীদের সঞ্চিত সম্পদের ওপর শতভাগ দায়িত্ব পালন করবে এবং কোনো রকম সমস্যা হলে সক্রিয়ভাবে তার সমাধানে কোনোরকম গাফিলতি করবে না। জমির মালিক দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার ফলে মালিকের জমিটি নিচের বর্ণনা অনুযায়ী সরকারের নামে পরচা কাটা হয়েছে। 

প্রবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ডিসি মাগুরাকে চিঠি লিখে জানিয়েছে। ডিসিকে ফোন করেছে কয়েকবার এবং ডিসি বারবারই পুনরায় ফোন করতে বলেছেন। কারণ চিঠিখানা ডিসির পড়ার সময়টুকু এখন পর্যন্ত হয়নি। এটাই কি তাহলে শতভাগ দায়িত্ব পালন এবং প্রতিশ্রুতি? জনগণ জানতে চায়।
 
ওহ ভালো কথা, ডিসি সাহেব তিনবারই বলেছেন যে, তিনি চিঠিখানি এখনও পড়ার সময় পাননি তবে পরের দিন ফোন করলে তখন কথা হবে। শেষবার ফোন করলে একই উত্তর: চিঠি পড়া হয়নি। তবে সঠিক তথ্য না জেনেই ডিসি মাগুরা ভিকটিমকে দুটি শর্ত দিয়েছেন‌-

শর্ত ১ : ডিসির নামে কেস করতে হবে
শর্ত ২ : ডিসিকে কিছু অর্থ দিয়ে জমিটি কিনে নিতে হবে, এর ফলে জমি ভোগ করা যাবে। তবে কোনোদিন বিক্রি করতে পারবেন না।

ভিকটিম শুধু প্রশ্ন করেছেন, জমি আমার, দখলে গেল আপনার, এখন নতুন করে কিনবো, তারপরও বিক্রি করতে পারবো না, বিষয়টি কেমন হয়ে গেল না? এখন প্রশ্ন হতে পারে দেশে যেখানে প্রতিদিন হাজারও খুন, দুর্নীতি, রাহাজানি, হয়রানি, ধর্ষণ হচ্ছে অথচ বিচার পাবার সুযোগ নেই; সেখানে এটা কি কোনো ঘটনা হলো? 

আমি মনে করি এটাই বড় ঘটনা। কারণ আমরা যদি একজন ডিসির মতো দায়িত্বশীল প্রশাসক থেকে এমনটি আচরণ পাই তাহলে ভাবুন সাধারণ প্রশাসনের অবস্থা! ভাত রান্না করার পর সব ভাত টিপে দেখা লাগে না। দুই একটা দেখলেই বোঝা যায় ভাত সিদ্ধ হলো কিনা! জমির মালিকের লেখা পুরো চিঠিখানা তুলে ধরলাম নতুন করে ডিসিসহ দেশের প্রশাসনের কাছে।

বিষয় : মহম্মদপুর উপজেলার অন্তর্গত নহাটা গ্রামে অবস্থিত নহাটা বাজারের সম্পত্তি প্রসঙ্গে।

বরাবর,
জেলা প্রশাসক, মাগুরা 
মাগুরা, বাংলাদেশ।

জনাব,
আসসালামু আলাইকুম। আমি মৃধা শাহীন আজাদ (এমকম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমবিএ  লন্ডন, কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়)। পিতা মৃত আলহাজ আব্দুল মজিদ মৃধা, নহাটা, মহম্মদপুর, বাংলাদেশ। আমি সপরিবারে ২০০২ সাল থেকে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বসবাস করছি। আমার বাবা নহাটা বাজারে আমার নামে এক শতকের কম জায়গা কিনে চার তলা ফাউন্ডেশন করে দোতলা পর্যন্ত আংশিক সম্পন্ন করেন বিশ বছর আগে। ঘরটিতে একজন স্থায়ী হিন্দু ভদ্রলোক ভাড়াটিয়া হিসেবে ব্যবসা করছেন প্রথম থেকেই। আমার বাবা-মাসহ পরিবারের সবাই বেশির ভাগ সময় দেশের বাইরে আছেন। ২০০৬ সালের শেষের দিকে উনারা মৃত্যু বরণ করেন। ফলে কবে, কখন দেশে জরিপের কাজ হয়েছে সেটা আমাদের নজরে আসে নাই। যার কারণে একই দাগের একাধিক মালিক হিসেবে অন্য অংশীদারদের নামে কাগজপত্র সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে শেষ পর্যায়ে। শুধু  আমার অংশটুকু বাংলাদেশ সরকারের অনুকূলে মাগুরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নামে পরচা কাটা হয়। বিশ বছর আগে সেখানে কোনো বিল্ডিংই ছিল না আমার অংশটা ছাড়া, সেখানে কিভাবে জায়গার মালিকের অভাবে জায়গা সরকারের খাতায় লিপিবদ্ধ হলো?

আল্লাহর আশীর্বাদ আমার বাবা সমগ্র মাগুরা জেলাতে বেশিরভাগ মানুষের কাছে একজন আদর্শবান পিতা ও দেশের সম্মানিত নাগরিক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। আশা করি আপনি একটু যাচাই করলেই আমার কথার সত্যতার প্রমাণ পাবেন। মাগুরায় ১৯৮৬ সাল থেকে কর্মরত সব জেলা প্রশাসকই আমাদের বাড়িতে এসেছেন নানাধরনের সামাজিক কারণে। শুধু নহাটা নয়; সমগ্র মাগুরার মানুষ জানেন ও চিনেন আমার বাবাকে আর সেখানে দুই তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংসহ প্লটের মালিক খুঁজে পেলো না বা কেউ বলতে পারলেন না জমির প্রকৃত মালিক কে? সেটা সত্যিই বিস্ময়কর। তখনকার সময়ে যারা জরিপ কাজে এসেছিলেন, আমার মনে হচ্ছে, উক্ত ব্যক্তিগণ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। করলে আমার জমির মালিক না পাওয়ার কোনো কারণই ছিল না। যেহেতু আমি বা আমার পরিবারের কেউই ওই সময়ে বিষয়টি না জানার কারণে উপস্থিত ছিলাম না, সে জন্যই কি এটা হয়েছে?

আমার সত্যিই ভাবতে অবাক লাগছে চারপাশের মানুষ তখন বলা সত্ত্বেও আমার বা আমার বাবার নামে (সরজমিনে যারা কাজ করেছেন তারা) না দেখিয়ে সরকারের নামে জমির পরচা কাটলেন! এমতাবস্থায় আপনিই পারেন বৈধ কাগজ দেখে মহম্মদপুর এসি ল্যান্ড অফিসে যারা নিয়োজিত আছেন তাদেরকে নির্দেশনা দিয়ে আমার কাজটির মীমাংসা করতে। এটা আমার বাবার করে যাওয়া সম্পত্তি হিসেবে এর সাথে তার স্মৃতি জড়িত। ফলে এর গুরুত্ব আমার কাছে অর্থনৈতিক বিবেচনার চেয়েও ঢের বেশি। আমি, আমার বড় ভাই প্রফেসর ড: মান্নান মৃধা (যিনি চল্লিশ বছরের বেশি সময় ধরে সুইডেনে কেটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও সিনিয়র সাইন্টিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন) সহ অন্যান্য প্রবাসী ভাইদের থেকে জানতে পারি গত দশবার বছর ধরে বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করে আসছেন। আশা করি আমিও তার সুফল থেকে বঞ্চিত হবো না। আপনি চাইলে আমি লোক দিয়ে আপনার কাছে জমির দলিলসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পাঠাতে পারি। আশা করি আপনার সহযোগিতায় আমার এই সমস্যার সমাধান হবে। লন্ডনে আসলে আমার পরিবারের পক্ষ থেকে অগ্রিম দাওয়াত রইল। দোয়া করি ভাল থাকবেন ও ভালো রাখবেন আপনার জেলার সকল মানুষকে। আপনাদের শুভ কামনাসহ অগ্রিম নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো।
 
মৃধা শাহীন আজাদ   
লন্ডন প্রবাসী 
00447809154435

লেখক: রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন থেকে, rahman.mridha@gmail.com

[প্রিয় পাঠক, যুগান্তর অনলাইনে পরবাস বিভাগে আপনিও লিখতে পারেন। প্রবাসে আপনার কমিউনিটির নানান খবর, ভ্রমণ, আড্ডা, গল্প, স্মৃতিচারণসহ যে কোনো বিষয়ে লিখে পাঠাতে পারেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন jugantorporobash@gmail.com এই ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রহমান মৃধার কলাম