ইভিএমে ভোট গ্রহণ: কারও স্বস্তি কারও বিড়ম্বনা

 সাইদুর রহমান পান্থ, বরিশাল ব্যুরো 
২৮ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও উজিরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট দিয়েছেন দুই উপজেলার ভোটাররা। ফলে অনেক ভোটার প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট দিয়েছেন।

ভোট দেয়ার পর তারা ভালো-মন্দ দুই ধরনের প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন। কীভাবে ভোট দেবেন, ভোট দিতে পারবেন কিনা, ব্যালটের মতো লুকিয়ে নাকি সবার সামনে ভোট দিতে হবে- এসব প্রশ্ন নিয়ে কেন্দ্রে গিয়েছিলেন ভোটাররা।

তবে ভোট দিয়ে অনেকেই খুশি মনে বেরিয়েছেন। তারা বলছেন, এ পদ্ধতি যদি সঠিকভাবে চালু রাখা যায় তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কিছু হতে পারে না।

যারা কিছুটা নাখোশ তারা বলছেন, এ যন্ত্রের ওপর আস্থা আনতে সময় লাগবে।

বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী নিলুফা বেগম। তিনি বলেন, ‘কীভাবে ভোট দেবো তা নিয়ে ভয়ে ছিলাম। কিন্তু পদ্ধতি বেশ সহজ, ভালোই লাগছে। খুব অল্প সময়েই ভোট দেয়া হয়েছে।’

উজিরপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বেরিয়ে আবদুর রহমান নামে এক চাকরিজীবী বলেন, ‘উপায়টা সহজ, তবে যারা লেখাপড়া জানেন না তাদের জন্য এটা কঠিন হবে। আমরা খুব সহজেই ভোট দিতে পরেছি। তবে অনেকে কোথায় টিপ দিবে এ নিয়ে চিন্তায় ছিল। যার কারণে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতেও বিলম্ব হয়েছে।’

এদিকে উজিরপুরের পরোমানন্দ শাহা কেন্দ্রে ভোটারদের আঙ্গুলের ছাপ না মেলার কারণে সেখানে ভোট গ্রহণে বিলম্ব হয়। তবে এ ধরনের অভিযোগ বিভিন্ন কেন্দ্র থেকেই পাওয়া গেছে। সকাল সকাল বেশ কয়েকটা কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে টেকনিক্যাল সমস্যার খবর পাওয়া গেছে। বাকেরগঞ্জ জেএসইউ ভোট কেন্দ্রে ইভিএমে যান্ত্রিক জটিলতার কারণে ১ ঘণ্টা ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল।

উজিরপুরের ভোটার তানিয়া সুলতানা ভোট দিয়ে বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতি আসলেই বেশ ভালো ও সহজ। যদি এ পদ্ধতি ঠিকভাবে চালু করা যায় তাহলে খুব ভালো হবে। তবে আগে এর ব্যবহার বিধি আমাদের জানা ছিল না।’

বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রিসাইডিং অফিসার আকমল হোসেন বলেন, ইভিএম মেশিন নিয়ে ৩ দিন ভোটারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তখন মানুষের উপস্থিতি খুবই কম ছিল। যার কারণে ভোট দিতে অনেকের সমস্যা হচ্ছে।

বাকেরগঞ্জে নির্বাচনের দায়িত্বে কর্মরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোমানা আফরোজ বলেন, ইভিএমে ভোট দেয়ার জন্য আগেই ভোটারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। তখন যারা এসেছে তারা খুব সহজেই ভোট দিতে পেরেছে। আর যারা আসেনি তাদের একটু সমস্যা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন