জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা বন্ধ

 জামালপুর প্রতিনিধি 
২৮ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চার দফা দাবিতে কর্মবিরতি চলমান রয়েছে।
চার দফা দাবিতে কর্মবিরতি চলমান রয়েছে।

২৫০ শয্যা জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে হামলা,ভাংচুর ও ডাক্তারদের নির্যাতনের ঘটনায় চার দফা দাবিতে কর্মবিরতি চলমান রয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আগত রোগীরা সেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে গেছেন।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ও বিএমএ'র আহ্বানে সকাল থেকে জেলার সব সরকারি হাসপাতালে জরুরি বিভাগ,হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও করোনা রোগীর সেবা ব্যতীত সব চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকরা। একই সাথে জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও চিকিৎসাসেবা বন্ধ রেখেছেন চিকিৎসকরা।

জেলার ইসলামপুর থেকে আসা রোগী রমজান আলী বলেন,আমার পায়ের সমস্যাজনিত কারণে জামালপুর সদর হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলাম। কিন্তু ডাক্তারা তাদের চেম্বারে না থাকায় এখন চলে যেতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে সোমবার দুপুরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ জামালপুর জেলা শাখার আহবায়ক ও স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মো. মোশায়ের উল ইসলাম জানান,হাসপাতালে বহিরাগতদের হামলা, ভাংচুর ও ডাক্তারদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় আমাদের আন্দোলন চলছে।

এদিকে ডাক্তারদের আন্দোলনের সাথে একত্মতা ঘোষণা করেছে বিএমএ, স্বাধীনতা চিকিসৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), ডক্টরস ফাউন্ডেশন, ৩৯তম বিসিএস, ৩৩তম বিসিএস, ২৮তম বিসিএস, হেলথ ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনসহ অন্যান্য সংগঠন।

উল্লেখ্য,শুক্রবার ২৫ ডিসেম্বর বিকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রোগী মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনের সাথে ডাক্তার ও ইন্টার্ন ডাক্তারদের তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে হাসপাতাল ভাংচুর,হাতাহাতি,ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমানসহ ৭ ইন্টার্ন ডাক্তারকে পুলিশ আটক করে সদর থানায় নিয়ে যায় এবং পরে ডাক্তারদের ছেড়ে দেয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন