শ্রীবরদীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

 ফরিদ আহম্মেদ রুবেল, শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি 
২৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শেরপুর
শেরপুর

শেরপুরের শ্রীবরদীর ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রধান শিক্ষক মো. মাহফুজল হকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে উক্ত বিদ্যালয়ের অভিভাবক মজিবর রহমানসহ কয়েকজন বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৪৮ সালে স্থাপিত হয়ে সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হয়ে আসছে। ইতোপূর্বে বিদ্যালয়টির ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় দেড় হাজারের মতো থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমে এখন প্রায় ৩শ' থেকে ৪শ' জনে এসে পৌঁছেছে।

প্রধান শিক্ষক মো. মাহফুজল হক যোগদান করার পর থেকেই তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করাচ্ছেন না। ফলে বিদ্যালয়টি দিন দিন ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে।

উপবৃত্তির টিউশন ফি,এফডিআর থেকে লভ্যাংশের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন ছাড়াই অবৈধভাবে দোকান ঘর উত্তোলন করে লিজ দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে। বিদ্যালয় চত্বর ও বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমিতে থাকা বাগানের কাঠ গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রি করার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারী অভিভাবক কাউনেরচর গ্রামের আ. ছাত্তারের ছেলে মো. মজিবর রহমান বলেন,প্রধান শিক্ষক মাহফুজল হক যোগদান করার পর থেকেই অনিয়ম দুর্নীতি করে আসছে। তার অনিয়ম দুর্নীতির কারণে বিদ্যালয়টি আজ ধ্বংসের দিকে। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবি করছি।

ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষ মো. মাহফুজল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি মহল আমার সাথে শত্রুতা করে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে। আমি কোনো দুর্নীতি বা অনিয়ম করিনি।

ঝগড়ারচর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ শাহজাহান মিয়া বলেন,আমি লিখিত অভিযোগ পেয়ে প্রধান শিক্ষককে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কোনো জবাব দেননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন