ভৈরবে চালক হত্যায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মামলা
ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় অটোচালক সুজন মিয়া (২৫) হত্যার ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার রাতে নিহতের চাচা মধু মিয়া বাদী হয়ে ওই মামলাটি করেন।  

আসামিরা হলো- বাছির মিয়া (৪০), হাকিম মিয়া (৫৫), আলামিন (৩৪), হোসেন মিয়া (৪০), আওয়াল মিয়া (৩৭), আসাব উদ্দিন (৩৮), রুবেল মিয়া (২৭), শফিকুল মিয়া (২৬), রিয়াদ মিয়া (২৮), সাব্বির (২২), ফুল মিয়া (৪৫), কাউছার (৪৫)।

এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলা হলেও পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করতে পারে মর্মে এই ১২ জনকে সন্দেহজনকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

নিহত অটোচালক উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামের সাজিদ মিয়ার ছেলে। গত রোববার সকাল সাড়ে ৮টায় তার মরদেহ শিমুলকান্দির মোড়ে মধ্যেরচর এলাকার রাস্তায় পাওয়া যায়।

মামলার বাদী মধু মিয়া জানান, আমার ভাতিজা সুজন তিন বছর ধরে অটোরিকশা চালাত। গত রোববার ভোরে ভাতিজাকে মোবাইলে কে বা কারা ফোন করে।

ফোন পেয়ে সে বাসা থেকে বের হওয়ার আড়াই ঘণ্টা পর খবর পাওয়া যায় তার মরদেহ মধ্যেরচর এলাকার রাস্তায় পড়ে আছে।

আত্মীয়স্বজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে। এর পর খোঁজ নিয়ে দেখা যায় বাড়ির গ্যারেজে তার অটোরিকশাটি নেই।

মধু মিয়া জানান, গত ঈদে একটি ঘটনা নিয়ে প্রতিবেশী বংশের লোকজনের সঙ্গে আমাদের ঝগড়া হয়। তখন থেকে তারা সুজনকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছিল। তাই আমি মামলায় সন্দেহজনকভাবে ১২ জনের নাম উল্লেখ করেছি। নিহত সুজনের মোবাইলটি পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান।

নিহতের স্ত্রী জুয়েনা বেগম বলেন, ভোরে যখন আমি নামাজ পড়তে ঘুম থেকে উঠি, তখন সুজনের মোবাইলে দুটি কল আসে। কল পেয়ে আমাকে কিছু না বলে সে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় তার মরদেহ রাস্তায় পড়ে আছে।

ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন জানান, ঘটনায় নিহত সুজনের চাচা বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন