প্রেমের ফাঁদ পেতে ৪ স্ত্রীর স্বামীকে হত্যা করা হয়

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
১৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর ৪ স্ত্রীর স্বামী সোবাহান প্যাদা (৫৫) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ। লিপি আক্তার নামে এক নারীকে দিয়ে প্রেমের ফাঁদ পেতে ঘটনাস্থলে এনে পরিকল্পিতভাবে ঘাতকরা তাকে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়।

শুক্রবার রাতে মঠবাড়িয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হকের নেতৃত্বে একদল পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার সাপলেজা গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের স্ত্রী লিপি আক্তার (২৪) ও দক্ষিণ গুলিসাখালী গ্রামের মৃত আ. রশিদ হাওলাদারের ছেলে হারুন হাওলাদার (৩৮)।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চার স্ত্রীর স্বামী সোবাহান প্যাদাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। বুধবার সকালে থানা পুলিশ উপজেলার কবুতরখালী গ্রামের হাসেম হাওলাদারের বাড়ির সামনের সড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় বলে পুলিশের ধারণা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মঠবাড়িয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হক জানান, তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে সোবাহান প্যাদা হত্যা মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। টাকা-পয়সার লেনদেন ও পূর্ববিরোধের জের ধরে গ্রেফতারকৃত লিপি আক্তারকে দিয়ে প্রেমের ফাঁদ পেতে ঘটনাস্থলে এনে পরিকল্পিতভাবে ঘাতকরা সোবাহান প্যাদাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

গ্রেফতারকৃতরা শনিবার বিকালে উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম আল-ফয়সালের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মূল ঘাতকসহ অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন